পৃথিবীর ৫ টি অজানা তথ্য

পৃথিবীর ৫ টি অজানা তথ্যঃ যা আপনাকে ভাবতে বাধ্য করবে

আমাদের এই পৃথিবীতে ২০০ টি মতো দেশ আছে,এই ২০০ টি দেশে ৮০০ কোটি মতো মানুষ বসবাস করে। পশু-পাখি, গাছপালা বিভিন্ন রকমের প্রাণী নিয়ে আমাদের এই পৃথিবী।আজকে আপনাদের কে কিন্তু মজাদার আকর্ষণীয় তথ্য জানাবো যা আপনাদের জন্যে আকর্ষণীয় হবে।

শীতল দেশগুলো তে আপনি, পোষা প্রাণী মালিকদের সর্বোচ্চ ঘনত্ব পাবেন এবং নিকারাগুয়াতে(Nicaragua), আপনি বেগুনি রঙের বৈশিষ্ট্যযুক্ত বিশ্বের একমাত্র দুটি পতাকার মধ্যে একটি পাবেন। পৃথিবীর অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কিছু আকর্ষণীয় তথ্য পাবেন।

#১ আপনি কি জানেন, বিশ্বের স্বাদু পানি ৬৯% হিমবাহ এবং বরফের শীটের মধ্যেই রয়েছে।

পৃথিবীর ৫ টি অজানা তথ্য

নিজেকে পরিবর্তন করার উপায়?

কিভাবে Passive Income শুরু করা যায়

 

ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (USGS) এর গবেষণা অনুসারে বিশ্বের মোট জলের 96% এরও বেশি জল মহাসাগরে আছে। এটি মিঠা পানি না, এটি লবণাক্ত পানি। পৃথিবীতে ৪% স্বাদু পানি আছে তার মধ্যে ৬৯% বরফের মধ্যে।

#২ আমরা বাতাস দেখতে পাই না, তবে অনুভব করতে পারি। পৃথিবীতে এই পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি দ্রুতগতি বাতাসের গতি রেকর্ড করা হয়েছে ২৫৩ মাইল/ ঘন্টা।বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ

একটু কল্পনা করে দেখুন এতো দ্রুত গতিতে বাতাসের বেগ, মানুষের কি রকম ক্ষতি করতে পারে। অস্ট্রেলিয়ায়,অলিভিয়াতে ১৯৯৬ সালে একটি ঘূর্ণিঝড় আঘাত আনে, যা বাতাসের গতিবেগ ছিলো ২৫৩ মাইল/ঘন্টায়। এর আগে আমেরিকায়৷ নিউ হ্যাম্পশায়ারের মাউন্ট ওয়াশিংটনে ১৯৩৪ সালে, ২৩১ মাইল/ ঘন্টা সর্বোচ্চ ছিলো এটা ভেঙে দেয় ১৯৯৬ সালে অস্ট্রেলিয়ায়। আপনার কি মনে হয় পরবর্তী কোন ঘূর্ণিঝড় বাতাসের বেগ এই রেকর্ড গুলোকে ভেঙে দিতে পারবে কমেন্ট করে জানিয়ে দিন।

#৩ খরা নাম টি শুনলে কেমন যেন লাগে, ২০১৫ সালে ইউরোপে এমন একটি খরা সৃষ্টি হয়েছে যা ২১০০ বছরের মধ্যে এমন খরা পৃথিবীর মানুষ জন আগে দেখে নাই।

পৃথিবীর খরা

 

ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে করা গবেষণায়,ইউরোপে ২০১৫ সালে, এমন এক খরা সৃষ্টি হয়েছে যা এর আগে মানুষ দেখে নাই, গুরুতর শুষ্ক স্পেল এবং চরম তাপের সম্মুখীন হচ্ছে, যা বড় খরা সৃষ্টি করেছে।

খরা হওয়ার প্রধান কারণ, মানব-সৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তন এবং জেট স্রোতে সম্পর্কিত পরিবর্তনের ফলাফল এর জন্য এই খরা সৃষ্টি হয়, পৃথিবীতে সামনে এর চেয়ে ও আরও বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে যা এর আগে মানুষ দেখে নাই।

৫ টি ফ্রিল্যান্সিং স্কিল যা সবার জন্য  প্রয়োজন

৮টি বিজ্ঞানের বই যা পড়া উচিত সবার

#৪ রংধনু, রংধনু দেখতে কার না ভালো লাগে। রংধনু দেখার জন্য বিশ্বের সেরা জায়গা হল হাওয়াই(Hawaii)

রংধনুর দেশ হাওয়া
রংধনুর দেশ হাওয়া

2021 সালে আমেরিকান মেটিওরোলজিক্যাল সোসাইটি দ্বারা প্রকাশিত একটি গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে যে,পর্বতগুলি মেঘ এবং বৃষ্টিতে তীক্ষ্ণ গ্রেডিয়েন্ট তৈরি করে, যা প্রচুর রংধনু দেখার চাবিকাঠি।” বায়ু দূষণ, পরাগ এবং প্রচুর পরিমাণে ক্রেস্টিং তরঙ্গ হাওয়াইকে তালিকার শীর্ষে রাখতে সাহায্য করে যখন এটি রংধনুর পরিমাণ এবং গুণমানের ক্ষেত্রে আসে।

 

 

 

#৫ বরফের নিচে,জীবাশ্মযুক্ত উদ্ভিদ এটা ভাবা যায়,প্রায় ১.৪ কিমি বরফের নিচে জীবাশ্মযুক্ত উদ্ভিদ রয়েছে।নুউক সিটি, গ্রীনল্যান্ড।

বরফের নিচে জলজ উদ্ভিদ

কয়েক মিলিয়ন বছর আগে, এখানে সবুজ উদ্ভিদ ছিলো। গ্রিনল্যান্ডের প্রায় ৮০% জায়গা আইস শীট দ্বারা আচ্ছাদিত।উত্তর গোলার্ধের প্লেইস্টোসিন হিমবাহের সবচেয়ে বড় এবং সম্ভবত একমাত্র অবশেষ। 1966 সালে ক্যাম্প সেঞ্চুরিতে ঠান্ডা যুদ্ধের সময় নেওয়া হয়েছিল, গবেষকরা “ভালভাবে সংরক্ষিত জীবাশ্ম উদ্ভিদ এবং জৈব অণু” খুঁজে পেয়েছেন।

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top